Site icon Sitar Gurukul [ সেতার গুরুকুল ] GOLN

সেতার কৃস্তন

সেতার কৃস্তন

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সেতার কৃস্তন ।

সেতার কৃস্তন

যাহার পরে আরও সারিকা পাওয়া যাইতে পারে, এমন একখানি সারিকা বাম হস্তের তর্জ্জনীর টীপযোগে ধারণপূর্বক পরের সারিকা মধ্যম-অঙ্গুলীর শেষ ভাগ দ্বারা চাপিয়া ঐ চাপিত তার কাটিয়া লওয়াকে কৃন্তন বলে। যে সারিকায় চাপিত তারে কৃন্তন সম্পন্ন হয়, সেই সারিকার স্থর প্রকাশ না পাইয়া তর্জ্জনীর টীপযোগে ধৃত সারিকারই সুর বিশেষ রূপে ব্যক্ত হইবে। যে সুরে কৃন্তন সম্পন্ন হইবে, ঐ সুরের মস্তকে এই রূপ একটী ক্ষুদ্র রেখা চিহ্ন, এবং পূর্ব্ব সুরটীর  – নীচে কেবলমাত্র একটী “এ” চিহ্ন দেওয়া থাকিবে।

অপিচ যেখানে কেবল কৃন্তনের প্রয়োজন হয়, সেখানে তর্জ্জনী চাপিত সারিকার সুরে অথবা যে সুর মধ্যম-অঙ্গুলীর দ্বারা কাটিয়া লওয়া যায়, এই উভয় সুরের কোনটীতেই আঘাত হইবে না, শুদ্ধ কাটিয়া লইতে যে সুরটুকু- মাত্র ব্যক্ত হইবে তাহাই উদ্দেশ্য এবং এরূপ স্থলে মাত্রাচিহ্ন তর্জ্জনী চাপিত সারিকার সুরের উপর থাকিবে, কারণ কৃত্তননিষ্পন্ন ধ্বনিটী তর্জ্জনী চাপিত সারিকার স্বরজ্ঞাপক। যেখানে খোলা তারে তর্জ্জনী কিম্বা মধ্যম-অঙ্গলীর দ্বারা কৃত্তন করা যায়, সেই স্থলে কোন সারিকার আবশ্যক করে না ।

 

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

যদ্যপি যথামাত্রানুযায়িক আঘাতানন্তর উপরোক্ত নিয়মে কোন পর্দ্দায় তার কাটিয়া লওয়া যায়, তবে ঐ রূপ তারকর্তনকে আঘাত কৃন্তন কহে। আঘাত কুন্তন হলে যে সারিকার তার কাটিতে হইবে, সেই স্থরের নিম্নে আঘাতের চিহ্ন ডা, রা, ইত্যাদি বোলের বর্ণ এবং মস্তকে মাত্রাচিহ্ন ও তদুপরি কথিত রেখা চিহ্ন দেওয়া থাকিবে ; এবং পূর্ব সুরের নিম্নে ” চিহ্ন থাকিবে *

কৃন্তন-সাধন

অনুলোম

 

 

 

(২১) খাম্বাজ ——সম্পূর্ণ

মধ্যমান

 

 

(২২) ঝিঝিটী—সম্পূর্ণ ।

মধ্যমান

 

(২৩) পাহাড়ী-ঝিঝিটী—সম্পুণ

শথ-ত্রিতালী

 

 

 

(২৪) সোহিনী-বাহার—সম্পূর্ন

একতালা

 

 

পূর্ব্বে স্পর্শ ও কৃন্তনের বিধি পৃথক্ পৃথক্ রূপে প্রকাশ করা গিয়াছে, এক্ষণে ঐ উভয়ক্রিয়া মিশ্রণ করিয়া কিরূপে সাধিতে হইবে, তাহা স্পষ্ট বুঝান যাইতেছে। গৎ কিম্বা রাগাদির আলাপে উক্ত ক্রিয়া প্রায় সৰ্ব্বদাই হইয়া থাকে।

আরও দেখুনঃ

Exit mobile version